সনাতন ভাবনা ও সংস্কৃতিতে আপনাদের স্বাগতম। সনাতন ধর্মের বিশাল জ্ঞান ভান্ডারের কিছুটা আপনাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছি মাত্র । আশাকরি ভগবানের কৃপায় আপনাদের ভালো লাগবে । আমাদের ফেসবুক পেজটিকে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন। জয় শ্রীকৃষ্ণ ।।

বাল্মীকি রামায়ন vs কৃত্তিবাসী রামায়ন।

মূল বাল্মীকি রামায়ন আর কৃত্তিবাস ওঝা প্রবর্তিত বাংলা রামায়ন নিয়ে অনেকের মাঝে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।প্রকৃতপক্ষে এ দুটোর মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান।সেই ধোঁয়াশা দূরীকরণই এই আর্টিকেল এর মুল উপজীব্য।
এখন আমরা স্বল্প পরিসরে আলোচোনা করবো—বাল্মীকি রামায়ন vs কৃত্তিবাসী রামায়ন।
১) মুল বাল্মীকি রামায়নে দেখা যায় প্রাচেতস বাল্মীকি নারদকে জিজ্ঞাসা করলেন ,এই ভূ-মন্ডলের শ্রেষ্ঠ রাজা কে? জ্ঞানে-গুণে সত্যনিষ্ঠা এবং চরিত্রবত্তায় আদর্শ চরিত্র কার?
নারদ তখন একাত্তরটি শ্লোকে রাম চরিত্র বর্ণনা করলেন—
“ স চ সর্বগুণোপেতঃ কৌশল্যানন্দ বর্ধনঃ
সমুদ্র ইব গাম্ভীর্যে স্থৈর্যে চ হিমবানিব”। [ মূল বাল্মীকি,বালকান্ড]
ইত্যাদি। কিন্তু ক্রমে ক্রমে মূল বাল্মীকি রামায়নের কলেবর বাড়তেই থাকে। খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে বাল্মীকি রামায়ণের যে প্রথম সংস্করন বের হয় তাতে সংখ্যা কিছু বেড়েছিল। দ্বিতীয় সংস্করণে দেখা গেলো শ্লোক সংখ্যা এসে দাড়িয়েছে চব্বিশ হাজারে এবং বহু বিক্ষিপ্ত ঘটনায় পরিপূর্ণ। আর তৃতীয় সংস্করনে পরিশিষ্ঠ ভাগে উত্তরাকান্ডসহ কলেবর আরও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। আর বর্তমানে বাজারে সুলভ বাল্মিকি রামায়নের শ্লোক সংখ্যা পঞ্চাশ হাজারের মত। ( মনে হচ্ছে দিন কে দিন দিন শ্লোকগুলো প্রজননের মাধ্যমে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাল্মীকির রামচন্দ্র আদর্শ মানব, প্রেম-পিতৃভক্তি পরাক্রম এবং প্রজানুরঞ্জনে গরীয়ান পুরুষ, কোন দেবোপম দেবতা বা পূর্ন পরমাত্মা নন। শ্রী রামের নাম তারকব্রহ্ম মুক্তিপদ নাম—একথা বাল্মীকি মুণি বলেন নি। বলেছেন কৃত্তিবাস—
“শমন দমন রাবণ রাজা রাবন দমন রাম
শমন ভবন না হয় গমন,যে লয় রামের নাম’।
বাল্মীকির পরে যত রকমের রামায়ন সম্প্রদায়ীরা লিখেছেন তাদের প্রত্যেকটিতে রামকে পুর্ন ষড়ৈশ্বর্য প্রতিপাদন করে পরমেশ্বর প্রতিপাদন করার চেষ্টা এবং miracles করার ক্ষমতা দিয়ে বলীয়ান করার চেষ্টা পুরোদমে করা হয়েছে যা কখোনোই গ্রহনযোগ্য নয়। এমনকি ব্রহ্মান্ড পুরানের অন্তর্গত অধ্যাত্ম রামায়ন ব্যাসের নামে লিখা হয়েছে। আর অধ্যাত্ম রাম্আয়নে দেবতারা তো বটেই এমনকি মাতা কৌশল্যাকে নিয়েও রামকে পূর্ন ব্রহ্মজ্ঞানে ভক্তি করানো হয়েছে। অথচ বাল্মীকি রামায়নে এর বিন্দু বিসর্গ নেই। বাল্মীকির রামচন্দ্র-
“ সর্বগুণোপেতঃ, নিয়তাত্মা মহাবীর্যো দ্যুতিমান ধৃতিমান বশী,ধর্মজ্ঞ সত্যসন্দশ্চ প্রজানাং চ হিতে রতঃ” একজন আদর্শ মানব। কোন পরমেশ্বর বা ভগবান নন। রাম মূর্তি গরে ,রাম নাম জপ করে রামের পূজা কর একথা বাল্মীকি মুনি কস্মিনকালেও বলে যান নি।
অদ্ভূতাচার্যের অদ্ভুত রামায়নে কোথাও দশ স্কন্ধ রাবনের পরিবর্তে হাজার স্কন্ধওয়ালা রাবনের উল্লেখ আছে। আর রাবন সীতাকে হরন করার সময় নাকি সীতা দুর্গা রূপ ধারন করে ৯৯০ টা মুন্ডু ছেদন করেন আর তারপর রামের হাতে রাবন বধের দৈববাণী শুণে ক্ষান্ত দেন। অনেক রাময়নকার তো আবার বলেন, দশানন রাবণ মা সীতাকে হরন করে নিয়ে যাবে একথা কেউ লিখেন কি করে।রাবন নাকি মায়া রাবন হরনকালে ব্রহ্মা এসে সীতাকে নিয়ে গেলেন আর মায়া সীতাকে রেখে গেলেন যাকে রাবন হরন করল।
এত এত মত পার্থক্য এবং অলীক ঘটনা নিশ্চয়ই কোন জ্ঞানী মুনি ঋষি বা প্রজ্ঞাবান মুনি বাল্মীকির হতে পারে না!!!!
২)বাল্মীকি পূর্বজন্মে দস্যু রত্নাকর ছিলেন , মরা মরা জপ করে বাল্মীকি হয়েছিলেন –এসব কথার বিন্দুবিসর্গও মূল রামায়নে নেই।
৩) কৃত্তিবাস বর্ণিত রামের দূর্গাপূজা বা অকালবোধনাদির কথা সত্যদর্শী বাল্মীকি মুনির রামায়নে নেই।
৪) রামের জন্মের ৬০০০০ বছর পূর্বে বাল্মীকি রামায়ন রচনা করেছিলেন – একথা ডাহা মিথ্যা।
“কোন্বস্মিন সাম্প্রতং লোকে গুণবান কশ্চ বীর্যবান”- নারদকে করা বাল্মীকির এ ধরনের প্রশ্নে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, রাম তখন রাজত্ব করছেন।
মুল রামায়নে স্পষ্ট বলা আছে-
“ প্রাপ্ত রাজস্য রামস্য বাল্মীকির্ভগবান ঋষিঃ।
চকার চরিতং কৃৎস্মং বিচিত্র পদর্থবৎ” । [ আদিকান্ড, ৪র্থ সর্গ, ১ম শ্লোক]
যা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, শ্রী রাম এবং বাল্মীকি মুনি সমসাময়িক ছিলেন।
৫) যজ্ঞ রক্ষার জন্য রাম লক্ষনকে পাঠানোর ব্যাপারে বিশ্বামিত্রের সঙ্গে রাজা দশরথ ছলনা করেছিলেন বলে কৃত্তিবাস যে রসালো বর্ননা দিয়েছেন বাল্মীকি রামায়নে তা নেই। বরংচ বশষ্ঠের কথা শুনে রাজা দশরথ প্রসন্ন চিত্তে রাম-লক্ষণকে যেতে দিলেন।
৬) গৌতমপত্নী অহল্যা পাথর হয়েছিলেন ,রামের চরনস্পর্শে তিনি মনুষ্য শরীর ধারন করল্রন, রামের চরণস্পর্শে কাঠের নৌকা সোনা হয়ে গিয়েছিল-এমন অলীক বর্ণনা কৃত্তিবাস যেসব দিয়েছেন তার বিন্দু-বিসর্গও মূল রামায়নে নেই। বাল্মীকির রামায়নে আছে- কাউকে দেখা না দিয়ে লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে অহল্যা কঠোর ব্রহ্মচারিণী জ়িবোণ-যাপন করছিলেন। বাল্মীকি রামায়নে এমনটাই লিখা আছে-“ বাতভ্যক্ষা নিরাহারা তপ্যন্তী ভস্মশায়িনী”-ইত্যাদি।
৭) রাবন বিভীষনকে পদাঘাত করেছিলেন এমন কথা বাল্মীকি রামায়নে নেই। রাবন শুধুমাত্র তিরস্কার করেছিলেন এবং ধিক্কার জানিয়েছিলেন। আর সেই ধিক্কার আর ভর্ৎসনা শুনে কৃতঘ্ন বিভীষনই রামের কাছে চলে এসেছিলেন।
৮) বাল্মীকি রামায়নে হনুমান কোন বানর নন। হনুমান কর্তৃক গন্ধমাদন পর্বত মাথায় করে আনা , এক লাফে সমুদ্র পার হওয়ার কথা বাল্মিকি রামায়নে নেই।হনুমান বিভিন্ন মশা-মাছির রূপ ধারন করতে পারতেন এমন কথাও নেই।
বাল্মিকি রামায়নে পাওয়া যায়, সীতা হরনের পরে ,রাম-লক্ষন-সুগ্রীব-হনুমান সেখানে ছিলেন। সুগ্রীব হনুমানকে রামের সাথে কথা বলতে বললেন। হনুমান বুদ্ধিমত্তা ও শিষ্টাচারসহ রামের সাথে অনেক কতাহ বললেন। হনুমান্র কথায় মুগ্ধ হয়ে রাম বললেন-----
“ অভিভাষস্ব সোমিত্রে সুগ্রীব সচিবং কপিম,
বাক্যজ্ঞং মধুরৈর্বাকৈঃ স্নেহযুক্তমরিন্দম”। [কিষ্কিন্ধাস কান্ড,৩য় সর্গ, ২৭ শ্লোক]
ভাষ্য- হনুমানের কথায় মিগ্ধ হয়ে রামচন্দ্র লক্ষনকে বললেন-হনুমানজী মহাপন্ডিত। ঋগবেদ,সামবেদ ও যজুর্বেদে পারদর্শি না হলে কেহ এমন জ্ঞানপূর্ন বাক্য প্রয়োগ করতে পারেন না। ইনি নিশ্চয়ই সমগ্র ব্যাকরন শাস্ত্র অভগত আছেন। আমার সারহে এত কথা বললেও একটি অপশব্দ প্রয়োগ করেন নি।
“ তদ যথা লভ্যতে সীতা তত্ত্ব মেবোপপাদয়,
তথ্যেব হনুমন অস্তি বলং বুদ্ধিঃ পরাক্রম।
দেশ কালানুবৃত্তিশ্চ নয়শ্চ নয়পন্ডিত”। [ কিষিন্ধা কান্ড]
ভাষ্যঃ বীর হনুমান যাতে সীতার অনুসন্ধান পাওয়া যায় সেই চেষ্টা কর। তুমি রাজনীতিবিদ,বল,বিক্রম,বুদ্ধি, সৌন্দর্য সবই তোমার আছে। দেশ, কাল ,পাত্রানুযায়ী কখন কি করতে হবে এ সকল নীতিতে তুমি সর্বজ্ঞানী।
কাজেই আমরা বেদজ্ঞানী হনুমানের প্রমান পাই বাল্মীকি রামায়নে। লেজযুক্ত গেছো হনুমান যার পূজা হিন্দু সমাজ করে আসছে তা ভিত্তিহীন,সম্পুর্ন ভিত্তিহীন।
একইভাবে মূর্খ পৌরানিকের দল রামায়নে বর্নিত দক্ষ,রক্ষ,গন্ধর্ব,কিন্নর, গরুর,সুপর্ন, নাগ এদের সবাইকে বন্যজীব হিসেবে বুঝে নিয়েছে। পিতা মহামুনি কশ্যপ হতে জন্ম যক্ষ,রক্ষ ও সুপর্নদের। তারা ছিল সৌর্য,বীর্য,পান্ডিত্য ও তপোবলের বাহক। তার পশু-জানয়ার,পাখি,সাপ হয় কিভাবে?? মূর্খ পুরানকার আর রামায়ন রচয়িতা আর মূর্খ পাথকের দল তা একবারেও ভেবে দেখলো না!!!!! মনুষ্য বাবা-মা হতে জানোয়ার পশু-পাখি কিভাবে জন্মে???? হনুমান,বানর,গড়ুর,পক্ষী,তক্ষক এরা মানুষ ছিলেন,কেবল গুণগত,আচরনগত পার্থক্যছিল যেমন আমাদের সবার মাঝে আছে। বাল্মীকি রামায়নে বানরগণ একজনের সাথে অপরের পরিচয় দিচ্ছে—“ ইক্ষাকুনাং কুলে জাতঃ”—অর্থাৎ ইক্ষাকু সৎ বংশে এদের জন্ম।
আরো পরিষ্কার করে বলি… অশোক বনে হনুমান সীতাকে প্রশ্ন করেছিলেন –
“ সুরানাম অসুনারাঞ্চ,নাগ গন্ধর্ব রাক্ষসাম
যক্ষনাং কিন্নবানাঞ্চ কা ত্বং ভবসি শোভনে”। [ সুন্দরকান্ড , ৩৩ নিসর্গ, ৫ শ্লোক]
ভাষ্যঃ ঐয়ি শোভনে সীতে। সুর,অসুর,নাগ,গন্ধর্ব,যক্ষ,রক্ষ,কিন্নর, কোনকুলে আপনি জন্মেছেন?
এর অর্থ কোন বংশে আপনার জন্ম। অর্থাৎ এগুলো সবগুলো ই ছিল মনুষ্য বংশ।তাই হনুমান কোন বোকার মত প্রশ্ন করেন নি সীতাকে। যেমনঃ দেশভেদে চীনা,জাপানী,আমেরিকান,ভারতীয়,বাংলাদেশী বললেও সবাই মানুষ। তেমনি ঐ সকল প্রকাশটাও সেভাবে হয়েছে।
আর হনুমানের সমুদ্র পারাপার সম্পর্কে যে গল্পটি রয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহিন এবং অলীক। সঠিক ব্যাখ্যা মহামুনি বাল্মীকির রামায়নে এভাবে বিধৃত হয়েছে—
“ লাঙ্গুলং হর্ষাৎ বলমুপেয়িবান”—অর্থাৎ সাগর পার হতে হনুমানজি লেজের মত কিছু একটা পেছনে লাগিয়ে নিলেন যাতে সহজে সমুদ্র পার হওয়া যায়। আর এটাকে পৌরানিকরা তাদের অনুর্ভর মস্তিষ্ক দিয়ে হনুমানের লেজ ভেবে প্রচারনা চালিয়েছেন।
হনুমানের সাগর লঙ্ঘন নিয়ে বাল্মিকি বলেন-
“ উৎপাপাতাথ বেগেন বেগবান বিচারয়ন সুপর্ণ্মিব চাত্মানং মেনে স কপি কুঞ্জরঃ’
ভাষ্যঃ বেগশালী হনুমান তখন মহাবেগে আকাশে উড়লেন এবনহ নিজেকে গরুড়ের মত ভাবলেন।আমরা জানি পবিত্র ঋগ্বেদ,রামায়ন,মহাভারত প্রভৃতিতে বিভিন্ন ধরনের বিমান এর উল্লেখ রয়েছে।কে জানে হনূমান এই ধরনের কোন প্রযুক্তি ব্যাবহার করেছিলেন কিনা!
এটা একটা উন্নত বিজ্ঞানের নিদর্শন সেই যুগে।বাল্মীকির রামায়নে পাওয়া যা সুষেন নামক চিকিৎসকের কথা যিনি প্রায় মৃত্যু পথযাত্রী মানুষকে তার সঞ্জীবনী ঔষধ খাইয়ে জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন। বিশ্বকর্মার পুত্র নীল সেতু নির্মানে ইঞ্জিনিয়ারিং এর বুদ্ধি দিয়েছিল। অথচ এসব কথা কৃত্তিবাসের রামায়নে miracle এবং রঙ চং দিয়ে পুরো অলীক বানানো হয়েছে।
৯) কালনেমি সংবাদ, নন্দীগ্রামে ভরতের সাথে হনুমানের সাক্ষাৎ,গরুড়-পবনের যুদ্ধ ইত্যাদি মূল রামায়নে নেই।
১০)হনুমানের প্রার্থনায় উগ্রচন্ডা দেবীর লঙ্কা ত্যাগ, সমুদ্র লঙ্ঘন কালে সিংহিকা রাক্ষসি প্রসঙ্গ ,জান্তব কাক সীতাকে আক্রমন করায় রামের নিক্ষিপ্ত ত্রিশিরাশর কাকটিকে দেবলোক,ব্রহ্মলোক,শিবলোক পর্যন্ত ধাওয়া করে তার চক্ষু বিদ্ধ করে আনা-- এমন সব ঘটনা বাল্মীকি মুনির মূল রামায়নে নেই।
১১) রাবনের স্বর্গ বিজয়কালে কুম্ভকর্নের গমন, চৌষোট্টী যোগিনী সহ যুদ্ধ,তরনীসেন বধ,মহীরাবন-অহীরাবন বধ,অতীকায় বীরবাহু তরনসেন প্রভৃতির কাটামুন্ডের রাম উচ্চারনের অতি মিথ্যা কাহিনীও বাল্মীকি রামায়নে নেই।
১২) লক্ষনের চৌদ্দ বছরের ফল আনয়ন কাহিনী, লবকুশের যুদ্ধাদিসহ সমগ্র উত্তরকান্ডই বাল্মিকি রামায়নে নেই।
আপনাদের সত্য জানানোর ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা করলাম। আশা করি সবাই মনযোগ দিয়ে পড়ে যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে তা বিচার করবেন। আসুন আমরা সবাই মূল বাল্মীকি রামায়ন পড়ে সত্য এবং যথার্থ জ্ঞান অর্জন কতি। নিজেদের আর্যত্ব কে মহিমান্বিত করি। কুসংস্কার আর ক্রমশঃ ক্ষয়ে যাওয়া সনাতন সমাজকে বাচাতে এগিয়ে আসি সত্যের অনুসন্ধান করি। সব অপপ্রচার, কু-চক্রান্ত, আর হাজার বছরের মিথ্যা বলয়ের ধারাকে সত্য দিয়ে ভেঙে এক নতুন আলোকিত দিগন্তের উন্মোচন করি।
কৃতজ্ঞতায়- Agniveer Tanmoy Rony
VEDA, The infallible word of GOD'
Share this article :
 
Support : Creating Website | Johny Template | Mas Template
Copyright © 2011. সনাতন ভাবনা ও সংস্কৃতি - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by Mas Template
Proudly powered by Blogger