সনাতন ভাবনা ও সংস্কৃতিতে আপনাদের স্বাগতম। সনাতন ধর্মের বিশাল জ্ঞান ভান্ডারের কিছুটা আপনাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছি মাত্র । আশাকরি ভগবানের কৃপায় আপনাদের ভালো লাগবে । আমাদের ফেসবুক পেজটিকে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন। জয় শ্রীকৃষ্ণ ।।

বেদ ও আধুনিক বিজ্ঞান পর্ব ২

বেদ ও তড়িত্‍শক্তি

অথর্ববেদ বিভিন্ন প্রায়োগিক বিদ্যার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ তা আমরা সবাই জানি।দেখে নেয়া যাক তড়িত্‍ শক্তি সম্পর্কে পবিত্র এই জ্ঞানের উত্‍স কি বলেছে-
অথর্ববেদ ২০/৭/২
"নব য়ো নবতি পুরো বিভেদ
বাহভোত জাসা অহি ছ
বৃত্রাহাভদিত"
অনুবাদ-
বিদ্যুত্‍ যা এর বাহুর(ইলেকট্রন এবং প্রোটন)সাহায্যে পদার্থকে ৯৯টি শাখায় বিভক্ত করে যেসকল সূর্যালোকে অবস্থান করে।
এখানে আধুনিক বিজ্ঞানীদের কর্তৃক বর্ণিত ৯৯টি কনা যা সকল পরমানুর তড়িত্‍ ভাঙ্গন এর ফলে সৃষ্ট তা বলা হয়েছে।উল্লেখ্য যে এদের প্রত্যেকটিকে সূর্যকর্তৃক বিকীর্ন অতিবেগুনী রশ্মি তে পাওয়া যায়।
অথর্ববেদ ২০/০৭/৩
"সন ইন্দ্রঃ শিবাঃ য়ক্ষবাদ গোমদববম উরধারেব দোহাতে"
অনুবাদ-এই অসাধারন শক্তি আমাদের বন্ধু হতে পারে যার মাধ্যমে আমরা আমাদের বাড়িঘর আলোময় করে তুলতে পারি,পারি শস্যক্ষেত্রে কাজে লাগাতে।
অথর্ববেদ ২০.৭.৪
"ইন্দ্র নতুবিদন্ধ সুতং সোমাং হর্য পুরুষ্তুতে পিবা বৃহসত্‍ ততৃপিম"
অনুবাদ-জ্ঞানীদে র পরামর্শ অনুসারে আমরা একে কাজে লাগাতে পরি দ্রব্যাদি সংরক্ষনে(রেফ্রি জারেটর) তাদের মাধ্যমে যারা এতে দক্ষ।এটিকে নিরাপদে ব্যবহার করি যাতে এটি বিপদ সৃষ্টি না করে।
অথর্ববেদ ২০.৩.১
"বজ্রিনেম সন্দিনাম সোম্যমমদ ইন্দ্রম রথে বহতা হর্যতাহরি পুরুনাস্ময় সবনানি হর্যাতা ইন্দ্রারা সোমা হারায়ো দধিবীরে"
অনুবাদ-সেই দ্রুত গতিশীল দুই বস্তু(ইলেকট্রন ও প্রোটন) যার আকর্ষন ও বিকর্ষন ক্ষমতা আছে তা বিদ্যুত্‍ চালনা করে।এটি বজ্রের ন্যয় শক্তিশালী,আমাদে র উপকারী।এটি উত্‍পন্নের জন্য রয়েছে তরল উত্‍স(বিদ্যুত্‍ উত্‍পন্নের তরল জ্বালানী)
অথর্ববেদ ২০.৩.২
"আড়ং কামোয়ো হর্যো দধীনবীরে স্থিরানো হিন্বানোহায়াযো হরি তুরা অর্বধ্বিয়র হরিবিজোড়সামিয়াত ে স অস্য কামাম হরিবন্তমানসে"
অনুবাদ-সেই দুই গতিশীল শক্তি দুই দিকে গতিশীল(ইলেকট্রন ও প্রোটন এর বিপরীত দিকে গতি) যার মাধ্যমে উত্‍পন্ন শক্তিকে আমরা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারি।
এছাড়া বিদ্যুত্‍ এর আরো বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে -
তৈত্তিরীয় উপনিষদ ৭.৩.২
এ জলবিদ্যুত্‍
তৈত্তিরীয় উপনিষদ ১.৩.২ এ তাপবিদ্যুত্‍
ঋগবেদ ১.৩২.১৩ এ মেঘে মেঘে ঘর্ষনের ফলে বিদ্যুত্‍ উত্‍পাদনের উল্লেখ
ঋগবেদ ১.৬.৫ এ বায়ুর মাধ্যমেবিদ্যুত্‍ শক্তি উত্‍পাদন
ঋগবেদ ১.১৬৮.৮ এ বলা হয়েছে যখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ে তখন নদীতে প্রবল স্রোতের সৃষ্টি হয় আর সেই গতিময় জল থেকে বিদ্যুত্‍ উত্‍পাদন সম্ভব।
ঋগবেদ ৫.৮৭.১০
এ শব্দ বড় করতে বিদ্যুতের ব্যবহার(মাইক্রো ফোন)
বিদ্যুত্‍ এর ব্যবহার আরো পাবেন
ঋগবেদ ৫.৫৪.১১
৫.৫২.৬
৩.১.১৪
৫.৮৬.১৩
ধন্যবাদ সকলকে,নমস্কার।

VEDA, The infallible word of GOD
Share this article :
 
Support : Creating Website | Johny Template | Mas Template
Copyright © 2011. সনাতন ভাবনা ও সংস্কৃতি - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by Mas Template
Proudly powered by Blogger