• মহাভারতের শহরগুলোর বর্তমান অবস্থান

    মহাভারতে যে সময়ের এবং শহরগুলোর কথা বলা হয়েছে সেই শহরগুলোর বর্তমান অবস্থা কি, এবং ঠিক কোথায় এই শহরগুলো অবস্থিত সেটাই আমাদের আলোচনার বিষয়। আর এই আলোচনার তাগিদে আমরা যেমন অতীতের অনেক ঘটনাকে সামনে নিয়ে আসবো, তেমনি বর্তমানের পরিস্থিতির আলোকে শহরগুলোর অবস্থা বিচার করবো। আশা করি পাঠকেরা জেনে সুখী হবেন যে, মহাভারতের শহরগুলো কোনো কল্পিত শহর ছিল না। প্রাচীনকালের সাক্ষ্য নিয়ে সেই শহরগুলো আজও টিকে আছে এবং নতুন ইতিহাস ও আঙ্গিকে এগিয়ে গেছে অনেকদূর।

  • মহাভারতেের উল্লেখিত প্রাচীন শহরগুলোর বর্তমান অবস্থান ও নিদর্শনসমুহ - পর্ব ০২ ( তক্ষশীলা )

    তক্ষশীলা প্রাচীন ভারতের একটি শিক্ষা-নগরী । পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত শহর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। তক্ষশীলার অবস্থান ইসলামাবাদ রাজধানী অঞ্চল এবং পাঞ্জাবের রাওয়ালপিন্ডি থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার (২০ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে; যা গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড থেকে খুব কাছে। তক্ষশীলা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫৪৯ মিটার (১,৮০১ ফিট) উচ্চতায় অবস্থিত। ভারতবিভাগ পরবর্তী পাকিস্তান সৃষ্টির আগ পর্যন্ত এটি ভারতবর্ষের অর্ন্তগত ছিল।

  • প্রাচীন মন্দির ও শহর পরিচিতি (পর্ব-০৩)ঃ কৈলাশনাথ মন্দির ও ইলোরা গুহা

    ১৬ নাম্বার গুহা, যা কৈলাশ অথবা কৈলাশনাথ নামেও পরিচিত, যা অপ্রতিদ্বন্দ্বীভাবে ইলোরা’র কেন্দ্র। এর ডিজাইনের জন্য একে কৈলাশ পর্বত নামে ডাকা হয়। যা শিবের বাসস্থান, দেখতে অনেকটা বহুতল মন্দিরের মত কিন্তু এটি একটিমাত্র পাথরকে কেটে তৈরী করা হয়েছে। যার আয়তন এথেন্সের পার্থেনন এর দ্বিগুণ। প্রধানত এই মন্দিরটি সাদা আস্তর দেয়া যাতে এর সাদৃশ্য কৈলাশ পর্বতের সাথে বজায় থাকে। এর আশাপ্সহ এলাকায় তিনটি স্থাপনা দেখা যায়। সকল শিব মন্দিরের ঐতিহ্য অনুসারে প্রধান মন্দিরের সম্মুখভাগে পবিত্র ষাঁড় “নন্দী” –র ছবি আছে।

  • কোণারক

    ১৯ বছর পর আজ সেই দিন। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে সোমবার দেবতার মূর্তির ‘আত্মা পরিবর্তন’ করা হবে আর কিছুক্ষণের মধ্যে। ‘নব-কলেবর’ নামের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেবতার পুরোনো মূর্তি সরিয়ে নতুন মূর্তি বসানো হবে। পুরোনো মূর্তির ‘আত্মা’ নতুন মূর্তিতে সঞ্চারিত হবে, পূজারীদের বিশ্বাস। এ জন্য ইতিমধ্যেই জগন্নাথ, সুভদ্রা আর বলভদ্রের নতুন কাঠের মূর্তি তৈরী হয়েছে। জগন্নাথ মন্দিরে ‘গর্ভগৃহ’ বা মূল কেন্দ্রস্থলে এই অতি গোপনীয় প্রথার সময়ে পুরোহিতদের চোখ আর হাত বাঁধা থাকে, যাতে পুরোনো মূর্তি থেকে ‘আত্মা’ নতুন মূর্তিতে গিয়ে ঢুকছে এটা তাঁরা দেখতে না পান। পুরীর বিখ্যাত রথযাত্রা পরিচালনা করেন পুরোহিতদের যে বংশ, নতুন বিগ্রহ তৈরী তাদেরই দায়িত্ব থাকে।

  • বৃন্দাবনের এই মন্দিরে আজও শোনা যায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মোহন-বাঁশির সুর

    বৃন্দাবনের পর্যটকদের কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ নিধিবন মন্দির। এই মন্দিরেই লুকিয়ে আছে অনেক রহস্য। যা আজও পর্যটকদের সমান ভাবে আকর্ষিত করে। নিধিবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রহস্য-ঘেরা সব গল্পের আদৌ কোনও সত্যভিত্তি আছে কিনা, তা জানা না গেলেও ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই লীলাভূমিতে এসে আপনি মুগ্ধ হবেনই। চোখ টানবে মন্দিরের ভেতর অদ্ভুত সুন্দর কারুকার্যে ভরা রাধা-কৃষ্ণের মুর্তি।

উপনিষদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
উপনিষদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৩১ মার্চ ২০১৮

ছান্দোগ্যোপনিষৎঃ ২য় প্রপাঠকঃ(পর্ব-১১)

 ১ম খণ্ডঃ
সমস্ত সামের উপাসনাই সাধু।সাধুই সাম,অসাধুই অসাম।ভাষাতেও দেখা যায় -সাম্না এনমুপাগাৎ,অর্থ-সাধুনা এনমুপাগাৎ।আর 'অসাম্না' অর্থ ' অসাধুনা'।কোন সাধু ঘটনাকে বলা হয় 'সাম নঃ' ইহা আমাদের পক্ষে সাধু।আর অসাধু ঘটনাকে 'অসাম' বলা হয়।যে বিদ্বান সাম সাধু এইরূপ জানিয়া উপাসনা করেন সাধুগণ তাহার নিকট শীঘ্র আগমন করেন-'সাধবো ধর্ম্মা আ চ গচ্ছেষুঃ, উপ চ নমেষুঃ'- তাহার নিকট আগমন করে ও তাহার ভোগ্য হয়।
 
২য় খণ্ডঃ
লোকদৃষ্টিতে পঞ্চবিধ সামের উপাসনা করিবে।পঞ্চবিধং সাম উপাসীত।পৃথিবী হিংকার,অগ্নি প্রস্তাব, অন্তরীক্ষ উদগীথ,আদিত্য প্রতিহার, দ্যৌ নিধন।ইহা উর্ধ্ব দৃষ্টিতে সামোপাসনা।তাহার পর উর্ধ্বলোক হইতে আরম্ভ করিয়া নিম্নদৃষ্টিতে সামোপাসনা।দ্যৌ হিংকার,আদিত্য প্রস্তাব, অন্তরীক্ষ উদগীথ,অগ্নি প্রতিহার,পৃথিবী নিধন।
যিনি এই তত্ত্ব জানিয়া উর্ধ্ব হইতে নিম্ন পর্যন্ত ও নিম্ন হইতে উর্ধ্ব পর্যন্ত উপাসনা করেন-সমুদয় লোক তাহার ভোগ্য হয়।
৩য় খণ্ডঃ
বৃষ্টি বর্ষণে পাঁচ প্রকার সামের উপাসনা। বৃষ্টির পূর্ববর্তী বায়ু হিংকার,মেঘ জমে ইহা প্রস্তাব, বৃষ্টি পড়ে ইহা উদগীথ,মেঘগর্জ্জন ও বিদ্যুৎচমক ইহা প্রতিহার,বৃষ্টিপাত শেষ হয়-ইহা নিধন।যিনি এই তত্ত্ব জানিয়া বৃষ্টি-দৃষ্টিতে পঞ্চবিধ সামের উপাসনা করেন,মেঘ তাহার জন্য বর্ষণ করে,তিনি অন্যের জন্য বর্ষণ করান।
৪র্থ খণ্ডঃ
জলবিষয়ে পঞ্চপ্রকার সামের উপাসনা।মেঘ ঘনীভূত হয় ইহা হিংকার,বর্ষণ হয় ইহা প্রস্তাব, পূর্বদিকে প্রবাহিত নদী, ইহা উদগীথ,পশ্চিম দিকে প্রবাহিত নদী প্রতিহার,সমুদ্র নিধন। যিনি এই তত্ত্ব জানিয়া জলতত্ত্বে তাহার উপাসনা করেন তিনি জলমগ্ন হন না,জলশায়ী হন।

(C) Niha Rani Roy
Share:

ছান্দোগ্যোপনিষৎঃ ১ম প্রপাঠক(পর্ব-১০)

 একাদশ খণ্ডঃ
উষস্তি চক্রের পুত্র এই পরিচয় পাইয়া প্রীত হইয়া যজমান রাজা তাহাকে ঋত্বিক পদে বরণ করিলেন।কারণ তাহাকেই তিনি এই পদের জন্য খুজিতেছিলেন।
ঋত্বিক উষস্তির নিকট প্রস্তোতা জানিতে চাহিলেন- কোন্ দেবতা প্রস্তাবের অনুগমন করেন?উষস্তি উত্তর দিলেন,প্রাণ দেবতা।সমুদয় ভুত প্রাণের উৎপন্ন,প্রাণেই বিলীন হয়।এই মন্ত্রদ্বারা প্রাণই পরমাত্না ইহা বুঝা যায়।এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ব্রহ্মসূত্র (২/৪/১) "তথা প্রাণাঃ" প্রতিষ্ঠিত।
উদগাতা জানিতে চাহিলেন,কোন্ দেবতা উদগীথের অনুগমন করে? উষস্তি উত্তর দিলেন- আদিত্য দেবতা।তিনি উর্ধ্বস্থ হইলে সমুদয় ভূত তাহার স্তব করে।প্রতিহর্তা জানিতে চাহিলেন- কোন্ দেবতা প্রতিহারের অনুসরণ করেন? উষস্তি বলিলেন- অন্ন দেবতা।সমুদয় ভূত অন্নাহরণ করিয়াই জীবিত থাকে।
 

দ্বাদশ খণ্ডঃ
দালভ্যের পুত্র বক।তাঁহার অপর নাম মৈত্রেয়,গ্লাব।তিনি একদা বেদ পাঠের জন্য কোনো নির্জন স্থানে গমন করিলেন।তখন তাঁহার নিকট একটি শ্বেত বর্ণের কুকুর আসিল।অন্য কতকগুলি কুকুর তাহার নিকট গিয়া বলিল- আমাদের অন্ন লাভের জন্য আপনি সাম গান করুন।আমরা অন্ন ভোজন করিতে ইচ্ছা করি।শ্বেত কুকুর বলিল,"সকলে প্রভাতে আসিও"।দালভ্য তাহাদের অপেক্ষা করিলেন।তাহারা আসিল।বহিষ্পবমান স্তোত্রদ্বারা স্তুতি করিবার সময় যেমন পরস্পর সংলগ্ন হইয়া পরিভ্রমণ করে কুকুরগুলি সেইরূপ করিল।তাহারা 'হিং' উচ্চারণ করিল।ওঁ অদাম(আহার করি)ওঁ পিবাম(জলপান করি)ওঁ দেব বরুণ প্রজাপতি সবিতা অন্ন আনয়ন করুন।হে অন্নপতে,এই স্থানে অন্ন আহরণ করুন।আহরণ কর।ওম্।

ত্রয়োদশ খণ্ডঃ
এই পৃথিবী 'হাউ' কার।বায়ু 'হাই' কার।চন্দ্রমা 'অথ' কার।আত্না 'ইহ' কার।অগ্নি 'ঈ' কার।আদিত্য 'উ' কার।আহ্বান 'এ' কার।বিশ্বদেব 'ঔহোই' কার।প্রজাপতি 'হিং' কার।প্রাণই 'স্বর' কার।অন্নই 'যা' অক্ষর। বাকই বিরাট। তেরটি স্তোভ-' হাউ','অথ','ইহ','ঈ','এ','উ',ঔহোই','হিং','স্বর',যা,বাক্ ও হুং।ইহা অনিরুক্ত-অনির্ব্বচনীয়।
বাক্যের যে দুগ্ধ, তাহা বাক্ স্বয়ং উপাসকের জন্য দোহন করেন।যিনি স্তোভ অক্ষরসমুহের উপনিষদ অর্থাৎ গুহ্যার্থ জানেন তিনি অন্নবান হন।

 (C) Niha Rani Roy
Share:

১১ জুলাই ২০১৬

ঈশ উপনিষদ পর্ব-০১

ঈশা বাস্যমিদৃং সর্বং যত্‍কঞ্চ জগত্যাং জগত্‍ ।
তেন ত্যক্তেন ভুঞ্জীথা মা গৃধঃ কস্য স্বিদ্ধনমৃ ।।১


অনুবাদঃ অখিল বিশ্বব্রহ্মান্ডে যা কিছু জড় চেতন স্বরুপ ইত্যাদিতে ঈশ্বর ব্যাপ্ত ।সেই ঈশ্বরকে সাথে নিয়ে সে গুলো ত্যাগ পূর্বক ভোগ কর ।এতে আকৃষ্ট হয়ে কারও ধনে লোভ কর না ।


বিশ্লেষনঃ এটি ঈশ উপনিষদের প্রথম শ্লোক ।খুবই যুগপোযোগী মনে হয় ।এর উপযোগীতা যখন এত দিনেও হারায় নি ,তখন ভবিষ্যতেও হারাবে না । যা হোক মন্ত্রটিকে প্রথমে তিন ভাগে ভাগ করা দরকার ।যথাক্রমে

১/অখিল ব্রহ্মান্ডে জড় বা চেতন সব কিছুতেই ঈশ্বর ব্যাপ্ত ।

২/ত্যাগ পূর্বক ভোগ কর ।

৩/ লোভ কর না ।

তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি ঈশ্বর সমস্ত কিছুতে ব্যাপ্ত ।তা সে চেতন হোক অবচেতন হোক ।গীতাতে ভগবান শ্রীকৃষ্ন বলেছেন

ময়া ততমিদং সর্বং জগদব্যক্তমূর্তিনা ।
মত্‍ স্থানি সর্বভূতানি ন চাহং তেষ্ববস্থিতঃ ।।৯/৪

অনুবাদঃ আমি অব্যাক্ত রূপে জগত ব্যাপিয়া আছি ।সমস্ত ভূত আমাতে অবস্থিত ,আমি কিন্তু তত্‍ সমুদে অবস্থিত নই ।

সমস্ত কিছুতে ঈশ্বর অবস্থান এটা বেদান্তের উচ্চ স্তরের কথা ।ঠাকুর রামকৃষ্ন পরমহংস দেব বলতেন "জগত চৈতন্যময় "।বিঞ্জান প্রমানে বিশ্বাসী ,যেহেতু ঈশ্বর অনুভবের বিষয় ,তাই তারা ঈশ্বরকে পাশ কাটিয়ে বলেন এই পৃথিবী এবং মহাজাগতিক সকল কর্মকান্ডই চলছে শক্তি দ্বারা ।এমন কি ক্ষুদ্র অনু পরমানুতে ও শক্তি বিদ্যমান ।এদিকে হিন্দু শাস্ত্রে ঈশ্বর যে শক্তির দ্বারা জগত পরিচালনা করেন ,তাকে মাতৃরূপা বলা হয়েছে ।শক্তি শাস্ত্রের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ চন্ডীতে স্তব মন্ত্রে বলা হয়েছে যা দেবী সর্বভূতেষু শক্তি রূপেন সংস্থিতা ।বোঝাই গেল সমস্ত কিছুতে ঈশ্বরের শক্তি ব্যাপ্ত ,কিন্তু ব্যাপ্ত হয়েও এর বাইরে তিনি অবস্থান করেন ।সমস্ত জগত চেতনা বা শক্তিতে পরিপূর্ন এটাই আর্য ঋষিদেব অভিমত ।অধুনা বিঞ্জান ঈশ্বরকে না মানলেও শক্তি বা Aneargy কে অস্বিকার করার ক্ষমতা তাদের নেই ।আর আমরা হিন্দুরা শক্তিকে মাতৃরূপেই চিন্তা করি ।

এই মন্ত্রে আর ও বলা হয়েছে ত্যাগের মাধ্যমে ভোগের কথা ।এটি অর্থনীতি এবং সমাজের মূলকথা ।বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ক্যামব্রীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল রবিন্স ১৯৩১সালে তার প্রকাশিত An essay on the nature an significance of economic scinece নামক গ্রন্থে অর্থনীতির সংঞ্জা দিতে গিয়ে বলেছেন ।"অর্থনীতি হল এমন একটি বিঞ্জান যা মানুষের অসীম অভাব এবং বিকল্প ব্যাবহার যোগ্য দূষ্প্রাপ্য উপকরন সমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধনকারী কার্যবলি আলোচনা করে "।
এই সংঞ্জার মূলকথা হল অভাব অসীম ,সম্পদ সীমিত ।এই অসীম অভাবকে সীমিত সম্পদের দ্বারা সমন্বয় সাধন করা ।এছাড়া এল রবিন্স এর সাথে সমর্থন যুগীয়ে ববার ,স্টোনিয়ার , হেগ ,কেয়ার্নক্রস প্রমুখ অর্থনীতিবিদ দের মত হল ।"সমীম সম্পদের সাহায্যে আসীম অভাব পূরনের জটিল সমস্যাই হল মানব জীবনের প্রধান সমস্যা "।সমগ্র অর্থনীতি শাস্ত্র এই সীমিত সম্পদের ব্যাবহার নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ ,পদ্ধতি তৈরি করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে ।অথচ উপনিষদ বলছে ত্যাগের মধ্যমে ভোগ অর্থাত্‍ অধিক বিলাসী না হয়ে অপরের কথা চিন্তা করে জীবন যাপন ,দ্রব্য বা পন্য যাই হোক তার ব্যাবহার ।এখানে অপরকে সাহায্যের কথাও স্পষ্ট ।অর্থনীতিবিদরা সম্পদের সুষম বন্টনের কথা বলে ।

এই মন্ত্রে আরও বলা হয়েছে কার ও ধনে লোভ না করতে ।এই কথাটিকে দুই ভাবে বলা যায় ।আধ্যাতিক ভাবে এবং লৌকিক ভাবে ।

অধ্যাতিক ভাবে বলা যায় এই জগত সংসার অনিত্য ,মহাকাল একদিন সব গ্রাস করবে এটাই স্বাভাবিক ।তাই এই মিথ্যা মায়ায় আবদ্ধ না হয়ে ,ঈশ্বরীয় কর্ম এবং লোকহিতার্থে কর্ম করে জীবন অতিবাহিত করা ।আবার লৌকিক দৃষ্টি দিয়ে দেখলে বলা যায় যে ,লোভ বা ঈর্ষা মানুষকে পশু করে তোলে ।অপরের ধন দেখে লোভে পড়ে মানুষ সুপথ ছেড়ে কুপথে উর্পাজনে নামে ।ফলে সমাজে অপরাধ বাড়ে এবং মানব সভ্যতার প্রভূত ক্ষতি সাধন করে ।


ক্রমশ.........
Written by : Agni Sampad
Share:

সনাতন ধর্মের মর্মবাণী

উপনিষদের বলা আছে -অসতো মা সদগময়,তমসো মা জ্যোতিগময়। আমাকে অসত্য থেকে সত্যে
লয়ে যাও,অন্ধকার থেকে আলোতে লয়ে যাও- এতো মানব জীবনের শাশ্বত চিরন্তন আকাঙ্খা।
আমাদের বৈদিক জ্ঞান ও সংস্কৃতি উদার ও মহৎ এবং হিংসা-বিদ্বেষ শূন্য। কোন জাতি, ধর্ম গোত্র,সম্প্রদায়ের প্রতি কটাক্ষ করা,নিন্দা করা,হেয় প্রতিপন্ন করা , ঘৃণা করা বেদ -উপনিষদের শিক্ষার বিপরীত। বৈচিত্রোই একতা-এটাই আমাদের বেদ এর মূল জ্ঞান ও সংস্কৃতির শিক্ষা।
সমাজের কল্যাণ সাধন, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ,যুব সমাজে হীনমন্যতা ও অবক্ষয় রোধ,
সর্বধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা এবং উন্নত চিন্তা ও আদর্শভিত্তিক জীবন গঠনের লক্ষে, আসুন
বৈদিক- জ্ঞান ও সংস্কৃতির আলকে আলকিত হই।
কর্ম ও প্রেমের পথই আলোকিত পথ। অপার সম্ভাবনার পথ। মানবের শ্রেষ্ঠ অর্জনগুলি- এ পথ ধরেই আসে।এটাই বেদ উপনিষদের শিক্ষা। এটাই সনাতন ধর্মের মর্মবাণী।
Written by : Hillol Chakrabarty
Share:

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

হিন্দু ধর্মশাস্ত্র


আমরা সবাই হিন্দু হয়েও মাঝেমধ্যেই শাস্ত্র নিয়ে একে অপরের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পরি, একদল বলে শাস্ত্রে অমুক লেখা আছে, আরেকদল অন্য শাস্ত্রের মাধ্যমেই অমুক শাস্ত্রবচন খণ্ডন করে। এই ব্যাপারটা কিছুটা বিভ্রান্তিকর, কোনকোন শাস্ত্র মানবো আর কোনপ্রকার মানবোনা, এইনিয়ে বির্তক থেকেই যায়।
আসলে হাজার হাজার বছর ধরে হিন্দুধর্মের পথ চলা।এই সুদীর্ঘ সময়ের মধ্যে অসংখ্য ঋষিরা তাদের ধর্মপিপাষার থেকে ঈশ্বর সম্পর্কিয় যে উপলব্ধি গ্রন্থের আকারে লিপিবদ্ধ করে গেছেন সেগুলিই আমাদের ধর্মীয় শাস্ত্র।তাদের মধ্যে অনেকেই ঈশ্বর উপলব্ধির নূতন নূতন পথ দেখিয়ে গেছে।হিন্দুশাস্ত্রের গ্রন্থ অনেক ও বিচিত্র।বিভিন্ন স্তরের মানুষেকে বিভিন্নভাবে ধর্মের শিক্ষা দিতে হয় বলে হিন্দুদের শাস্ত্র গ্রন্থের সংখ্যা বেড়েগেছে।তবে সবার আগে মনে রাখতে হবে এই বিভিন্ন হিন্দুশাস্ত্রের মূল হলো বেদ।
হিন্দু শাস্ত্রগ্রন্থ গুলি নিয়ে সামান্য আলোচনা করা যাক।
‪#‎বেদ‬:- হিন্দুদের মূল ধর্মগ্রন্থ।ঋষিদের সাক্ষাৎ উপলব্ধির উপর প্রতিষ্ঠিত বলে বেদের অপর নাম শ্রুতি, সব হিন্দুশাস্ত্রের প্রমাণ নির্ভর করে এই শ্রুতির উপর। পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থের অপেক্ষায় বেদ প্রাচীন। সংস্কৃতে "বিদ্" ধতুর অর্থ জানা।এই ধাতু থেকে নিষ্পন্ন বলে বেদ শব্দের মূল অর্থ জ্ঞান।
বেদ চারখানি ঋক্‌, সাম,যজুঃ ও অথর্ব বেদ।আবার প্রত্যেক বেদের দুটি ভাগ সংহিতা ও ব্রাহ্মণ।সংহিতা ভাগে আছে মন্ত্র বা স্তোত্র, এবং ব্রাহ্মণভাগে আছে তাদের অর্থ ও ব্যবহারের নির্দেশ।
বৈদিকযুগে প্রতিমাপূজা ছিল না।মন্ত্র দ্বারা অগ্নিতে আহুতি দেওয়াই ছিল সেযুগের ঈশ্বর আরাধনার রীতি।এই বৈদিক কর্মকে যজ্ঞ বলা হয়।বেদের ব্রহ্মণভাগে অনেক ধরনের যজ্ঞের কথা উল্লেখ আছে।সংহিতাভাগের মন্ত্রগুলি এই সমস্ত যজ্ঞের সময় পাঠ করা হয়।কোন যজ্ঞে কখন কিভাবে কোন মন্ত্র উচ্চারণ করা দরকার তা ব্রহ্মণ থেকে জানা যায়।
‪#‎উপনিষদঃ‬-
বেদের কিছু অংশের নাম উপনিষদ।বেদের শেষের দিকে আছে বলে অথবা বেদের সারাংশ বলে এর অপর নাম বেদান্ত।
বেদের যে অংশে যাজ্ঞযজ্ঞের কথা উল্লেখ আছে তাকে কর্মকাণ্ড বলে।উপনিষদ অংশের মুখ্য আলোচ্য বিষয় পারমার্থিক জ্ঞান(ব্রহ্মজ্ঞান)। তাই উপনিষদ গুলিকে জ্ঞানকাণ্ড বলা হয়।
ব্রহ্ম কোথায় এবং কিভাবে আছেন,মানুষ ও জগতের সঙ্গে তাঁর সম্বন্ধ কি, তাঁকে জানবার উপায় কি এবং প্রয়োজন বা কি এসমস্ত কথা উপনিষদ থেকে জানা যায়।
উপনিষদ অনেক।প্রত্যেকটি বেদেই কতগুলি উপনিষদ আছে।এদের মধ্যে ১১টি উল্লেখযোগ্য--- ঈশ,কেন,কঠ,প্রশ্ন,মুণ্ডক,মাণ্ডূক্য,ঐতরেয়,তৈত্তিরীয়,ছান্দোগ্য,বৃহদারণ্যক ও শ্বেতাশ্বতর।
‪#‎স্মৃতিঃ‬-
হিন্দুরা কিভাবে জীবন যাপন করবে তার নির্দেশ মনু, যাজ্ঞবল্ক্যরা গ্রন্থ রচনা করে গেছেন,হিন্দুদের পারিবারিক জীবনে কি কি অনুষ্ঠান করা উচিৎ এইসব এই গ্রন্থে লেখা আছে।
বর্ণ অনুযায়ী হিন্দুদের কি কাজ করা উচিৎ, কি কাজ করা উচিৎ নয়, তার উল্লেখ আছে।স্মৃতিগুলি সম্পূর্ণ ভাবেই শ্রুতিমূলক।তবে সামাজিক পরিবর্তনের অনুযায়ী বিধিনিষেধ ব্যবস্থাগুলি পরিবর্তন হয়েছে এবং যুগের পরিবর্তনের সঙ্গেও নতুন নতুন স্মৃতি রচনা হয়েছে।যেমন একসময় বঙ্গদেশের হিন্দুসমাজ রঘুনন্দনের স্মৃতির দ্বারা প্রভাবিত ছিল।বর্তমানে আমাদের সমাজ স্মৃতির সমাজ থেকে বহুদূরে।
‪#‎দর্শনঃ‬-
বেদবাক্যের উপর নির্ভর করে ঈশ্বর তত্ত্ব নিয়ে ৬টি স্বতন্ত্র মতবাদের সৃষ্টি। একসঙ্গে এদের ষড়দর্শন বলে।জৈমিনি,ব্যাস,কপিল,পতজ্ঞলি,গৌতম ও ক্ণাদ, এদের রচিত দর্শন গুলি যথাক্রমে পূর্বমীমাংসা,উত্তরমীমাংসা,সাংখ্য,যোগ,ন্যায় ও বৈশেষিক।
পূর্বমীমাংসায় বেদের কর্মকাণ্ড এবং উত্তরমীমাংসায় জ্ঞানকাণ্ড নিয়ে আলোচনা আছে।ব্যাসদেবের রচিত দর্শনকে বেদান্তদর্শন বা ব্রহ্মসূত্র বলা হয়।
‪#‎পুরাণ‬
দর্শনগুলি খুব কঠিন। এইগুলি কেবল পণ্ডিতদের পাঠ্য আমাদের মত সাধারণের কাছে কঠিন। জনসাধারণের জন্য হিন্দুঋষিরা পুরাণ নামে এক শ্রেণীর শাস্ত্র রচনা করেন।সরল ও মনোরম ধর্ম শিক্ষা।নানারকম গল্প ও রূপের মাধ্যমে হিন্দুদের প্রাচীন ইতিহাসের আভাস এর থেকে পাওয়া যায়।পুরাণ আঠারখানা তাছাড়া উপ-পুরাণও আছে।
‪#‎রামায়ণ‬ ও মহাভারতঃ-
পুরাণের মত হিন্দুদের সহজ জনপ্রিয় দুটি অতিপ্রয়োজনীয় শাস্ত্র রামায়ণ ও মহাভারত।বাল্মীকি ও ব্যাসদেব যথাক্রমে এই দুইখানি মহাকাব্যের রচয়িতা।এদের ইতিহাসের পর্যায়ে ফেলা হয়।
‪#‎গীতাঃ‬-
মহাভারতের একটি অংশের নাম গীতা।যুদ্ধের প্রক্কালে যোগেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ বীরশ্রেষ্ঠ অর্জুন কে যে তত্ত্ব উপদেশ প্রদান করেন সেই অংশটি শ্রীমদ্ভগবদগীতা নামে প্রসিদ্ধ। উপনিষদ যেমন বেদের সার, গীতাকেও তেমন উপনিষদের সার বলা যায়।হিন্দু শাস্ত্রগুলির মধ্যে গীতাই সর্বপেক্ষা জনপ্রিয়।
প্রস্থানত্রয়ঃ-
উপনিষদ,বেদান্তদর্শন ও গীতাকে একসঙ্গে প্রস্থানত্রয় বলে।প্রস্থানত্রয় হিন্দুদের প্রধান শাস্ত্র বলে গণ্য।প্রস্থানত্রয়কে কেন্দ্র করে হিন্দুধর্মের প্রধান সম্প্রদায় গুলির মতবাদ গড়ে উঠেছে।সম্প্রদায়ের প্রবর্তক আচার্যরা এর উপর নানান ব্যাখা দিয়েছেন - দ্বৈত,অদ্বৈত,বিশিষ্টাদ্বৈত এইসকল।
তন্ত্রঃ-
ঈশ্বর কে আদ্যাশক্তিরূপে চিন্তা করে তন্ত্র ধারনা তৈরি।তন্ত্রগু

লি সাধারণত শিব ও পার্বতীর নানান কথোপকথন আকারে রচিত।কিছুর প্রশ্নকর্ত্রী পার্বতী এবং উত্তরদাতা মহাদেব, এবং অন্যগুলির প্রশ্নকর্তা শিব এবং উত্তরদাত্রী পার্বতী।প্রথমগুলিকে আগম বলে এবং শেষের গুলিকে নিগম। ৬৪ তন্ত্র আছে, এর মধ্যে --- মহানির্বাণ,কুলার্ণব,কুলসার,প্রপঞ্চসার,তন্ত্ররাজ,রুদ্রযামল,ব্রহ্মযামল,বিষ্ণুযামল অন্যতম।
‪#‎পঞ্চরাত্র‬ সংহিতা ও শৈব আগমঃ-
বৈষ্ণবদের পঞ্চরাত্রসংহিতা ও শৈবদের শৈবাগম তন্ত্রজাতীয় শাস্ত্র।এই শাস্ত্রগুলির দাবি এই যে, বেদ অপেক্ষা পঞ্চরাত্র সংহিতা ও শৈব আগম এই যুগে(কলিযুগের) বেশী উপযোগী। আগে শাস্ত্রেগুলির মত এরা বেদমূলক নয়,তবে বেদের সঙ্গে স্পষ্ট কোন বিরোধ নেই(তবে ফেসবুকে এর পালনকারিরা বেদ বিরোধী প্রচার করেন)
প্রায় ২১৫ খানা আলাদা আলাদা পঞ্চরাত্রসংহিতা গ্রন্থের কথা শোনা যায়, --- ঈশ্বর, পৌষ্কর,পরম, সাত্বত, বৃহৎব্রহ্ম ও জ্ঞানামৃতসারসংহিতা(প্রথমখানি যামুনাচার্য,পরের তিনখানি শ্রীরামানুজাচার্য উল্লেখ করে গেছেন, শেষটি নারদপঞ্চরাত নামে পরিচিত)।
২৮ টি শৈব আগমের কথা জানা যায়,তবে বর্তমানে ২০টির কিছুকিছু অংশ পাওয়া যায় মাত্র।
শ্রীশংকরাচার্যের অদ্বৈতবাদের প্রভাবে এরা অনেকাংশ বৈদান্তিক মতে ফিরে এসেছেন।
(হিন্দুধর্ম থেকে)
Courtesy: Sumit Bhattacharya
Share:

Total Pageviews

বিভাগ সমুহ

অন্যান্য (91) অবতারবাদ (7) অর্জুন (4) আদ্যশক্তি (68) আর্য (1) ইতিহাস (30) উপনিষদ (5) ঋগ্বেদ সংহিতা (10) একাদশী (10) একেশ্বরবাদ (1) কল্কি অবতার (3) কৃষ্ণভক্তগণ (11) ক্ষয়িষ্ণু হিন্দু (21) ক্ষুদিরাম (1) গায়ত্রী মন্ত্র (2) গীতার বানী (14) গুরু তত্ত্ব (6) গোমাতা (1) গোহত্যা (1) চাণক্য নীতি (3) জগন্নাথ (23) জয় শ্রী রাম (7) জানা-অজানা (7) জীবন দর্শন (68) জীবনাচরন (56) জ্ঞ (1) জ্যোতিষ শ্রাস্ত্র (4) তন্ত্রসাধনা (2) তীর্থস্থান (18) দেব দেবী (60) নারী (8) নিজেকে জানার জন্য সনাতন ধর্ম চর্চাক্ষেত্র (9) নীতিশিক্ষা (14) পরমেশ্বর ভগবান (25) পূজা পার্বন (43) পৌরানিক কাহিনী (8) প্রশ্নোত্তর (39) প্রাচীন শহর (19) বর্ন ভেদ (14) বাবা লোকনাথ (1) বিজ্ঞান ও সনাতন ধর্ম (39) বিভিন্ন দেশে সনাতন ধর্ম (11) বেদ (35) বেদের বানী (14) বৈদিক দর্শন (3) ভক্ত (4) ভক্তিবাদ (43) ভাগবত (14) ভোলানাথ (6) মনুসংহিতা (1) মন্দির (38) মহাদেব (7) মহাভারত (39) মূর্তি পুজা (5) যোগসাধনা (3) যোগাসন (3) যৌক্তিক ব্যাখ্যা (26) রহস্য ও সনাতন (1) রাধা রানি (8) রামকৃষ্ণ দেবের বানী (7) রামায়ন (14) রামায়ন কথা (211) লাভ জিহাদ (2) শঙ্করাচার্য (3) শিব (36) শিব লিঙ্গ (15) শ্রীকৃষ্ণ (67) শ্রীকৃষ্ণ চরিত (42) শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু (9) শ্রীমদ্ভগবদগীতা (40) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (4) শ্রীমদ্ভাগব‌ত (1) সংস্কৃত ভাষা (4) সনাতন ধর্ম (13) সনাতন ধর্মের হাজারো প্রশ্নের উত্তর (3) সফটওয়্যার (1) সাধু - মনীষীবৃন্দ (2) সামবেদ সংহিতা (9) সাম্প্রতিক খবর (21) সৃষ্টি তত্ত্ব (15) স্বামী বিবেকানন্দ (37) স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা (14) স্মরনীয় যারা (67) হরিরাম কীর্ত্তন (6) হিন্দু নির্যাতনের চিত্র (23) হিন্দু পৌরাণিক চরিত্র ও অন্যান্য অর্থের পরিচিতি (8) হিন্দুত্ববাদ. (83) shiv (4) shiv lingo (4)

আর্টিকেল সমুহ

অনুসরণকারী

" সনাতন সন্দেশ " ফেসবুক পেজ সম্পর্কে কিছু কথা

  • “সনাতন সন্দেশ-sanatan swandesh" এমন একটি পেজ যা সনাতন ধর্মের বিভিন্ন শাখা ও সনাতন সংস্কৃতিকে সঠিকভাবে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য অসাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে গঠন করা হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য নিজের ধর্মকে সঠিক ভাবে জানা, পাশাপাশি অন্য ধর্মকেও সম্মান দেওয়া। আমাদের লক্ষ্য সনাতন ধর্মের বর্তমান প্রজন্মের মাঝে সনাতনের চেতনা ও নেতৃত্ত্ব ছড়িয়ে দেওয়া। আমরা কুসংষ্কারমুক্ত একটি বৈদিক সনাতন সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের এ পথচলায় আপনাদের সকলের সহযোগিতা কাম্য । এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। সনাতন ধর্মের যে কেউ লাইক দিয়ে এর সদস্য হতে পারে।