জাতিস্মরদের পূর্বজন্ম মনে রাখার
অলৌকিক ক্ষমতা থাকে। জাতিস্মরদের অস্তিত্ব
মেনে নেওয়া মানে পূর্বজন্ম এবং পুনর্জন্মে বিশ্বাস করা। অনেক বৈজ্ঞানিক বলেন যে পুনর্জন্মকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণ করা
সম্ভব। পৃথিবীর বহু স্থানে ছোট শিশুরা নিজেদের জাতিস্মর হিসাবে ঘোষণা করে। এদের
বয়স সাধারণত
দুই থেকে পাঁচ বছর হয়।
অনেক সময় এরা, এদের ব্যবহারে, একরকম ভীতি প্রদর্শন করে। দেখা যায় যে ওই শিশুদের পূর্বজন্ম সংক্রান্ত বক্তব্যে ভীতির কারণ পাওয়া যায় । বহু ক্ষেত্রে জাতিস্মরের পূর্বজন্মের পরিবারের সঙ্গে বর্তমান জন্মের পরিবারের কোন সম্পর্ক অথবা পরিচয় থাকে না। সাধারণত সাত বছর বয়স অবধি জাতিস্মরেরা পূর্ব জীবন মনে রাখতে পারে।
অনেক সময় এরা, এদের ব্যবহারে, একরকম ভীতি প্রদর্শন করে। দেখা যায় যে ওই শিশুদের পূর্বজন্ম সংক্রান্ত বক্তব্যে ভীতির কারণ পাওয়া যায় । বহু ক্ষেত্রে জাতিস্মরের পূর্বজন্মের পরিবারের সঙ্গে বর্তমান জন্মের পরিবারের কোন সম্পর্ক অথবা পরিচয় থাকে না। সাধারণত সাত বছর বয়স অবধি জাতিস্মরেরা পূর্ব জীবন মনে রাখতে পারে।
ক্যারল ব্যোমানের বইয়ে জাতিস্মরদের বিবরণ আছে। ক্যারল মনে করেন জাতিস্মরদের পূর্বজন্মের বিবরণ কল্পনা প্রসূত নয়। ওনার মতে কল্পনা মনের ব্যাপার। জাতিস্মরদের কাছে পূর্বজীবন হল সত্যি ঘটনার পূণাঙ্গ মানসিক চিত্র। একমাত্র একজন সূক্ষ অনুভূতিসম্পন্ন মানুষের পক্ষেই এর তফাৎ করা সম্ভব।
ক্যারল ব্যোমানের মতে জাতিস্মর বোঝার চার রকম উপায় আছেঃ
(ক) স্বাভাবিক স্বচ্ছন্দ ভঙ্গিতে পূর্বজন্ম বিষয়ে তথ্য দেওয়া।
(খ) কয়েক দিন/সপ্তাহ/মাস/বছর ধরে পূর্বজন্ম বিষয়ক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।
(গ) অভিজ্ঞতার বাইরে জ্ঞান।
(ঘ) সেইমত ব্যবহারিক এবং শারীরিক বৈশিষ্টের প্রকাশ।
জাতিস্মরদের নিয়ে গবেষনায় অন্যতম উল্লেখযোগ্য নাম ইয়ান স্টেভেনসন। তিনি জাতিস্মরদের নিয়ে গবেষনা পঞ্চাশের দশক থেকে শুরু করেন। তাঁর প্রকাশনার সংখ্যা অনেক এবং অনেকেই তাঁর লেখার মধ্যেও বৈজ্ঞানিক সত্য খুঁজে পান। হয়তো অবাক হবেন প্রায় ২৫ শতাংশ মার্কিনী সনাতন দর্শন জন্মান্তরবাদ বিশ্বাস করে
0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন